অনলাইন গেইম এর সুবিধাগুলো জেনে রাখুন

অনলাইনে গেইম খেলার সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো জেনে রাখুন

অফলাইনের মত অনলাইনে গেইম বা online game খেলারও কিছু সুবিধা রয়েছে। সুবিধাগুলো আমরা জেনে সেটা অনুসারে যদি কাজ করতে পারি তাহলে অনেক সময় দেখা যাবে সন্তানরা এখানেও কিছু শিখবে। যদিও শেখার মানসিকতা আমাদেরকেই তৈরি করে দিতে হবে।

অনলাইন
মোবাইল গেমের (Online Game) সঙ্গে আজ সকলেই পরিচিত। কিন্তু এই গেমের নেশায় বুঁদ হয়ে যুব সমাজ লক্ষ লক্ষ টাকা খোয়াচ্ছে। সবসময় যে প্রতারিত হচ্ছে তা নয়, গেমের ভারচুয়াল উপকরণ কিনতে খরচ করছেন প্রচুর টাকা। যা রীতিমতো সামাজিক ব্যাধির আকার নিয়েছে। সাংসারিক অশান্তি থেকে আত্মহত্যা, সবই ঘটছে এই কারণে। আর এই প্রবণতাকে রুখতে সচেতনতাকেই হাতিয়ার করছে পুলিশ প্রশাসন।

অনলাইন মার্কেট এ অনলাইনে আবেদন করা অনেক সহজ যে কোন গেমের জন্য। আর এই কারণে অনলাইন সেবাসমূহ আমাদের হাতের কাছে। বিধায় অনলাইনের মাধ্যমে গেইম অনেক জনপ্রিয় বর্তমানে।

কোনো কারণ ছাড়ায় বাচ্চারা ভিডিও গেম পছন্দ করেবে এটা আসলে অসম্ভব। বাচ্চাদের অনলাইন গেইম পছন্দ করারও অনেক কারণ রয়েছে। তবে আমি সেই কারণগুলো এই প্রতিবেদনে আলোচনা করবো না।

আজকের প্রতিবেদনে আমি আলোচনা করবো অনলাইনে ভিডিও গেইম খেলার সবচেয়ে বড় যে সুবিধা গুলো সম্পর্কে। ছোট বড় সকলের জন্য এই বিষয়টা জানা প্রয়োজন। কারণ আমরা সকলেই জানি অনলাইন গেইম আমাদের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু কিভাবে অনলাইন গ্টেমি আমাদের জন্য উপকৃত হতে পারে?

এই বিষয়টি জানতে হলে প্রতিবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন। অবশেষে এই বিষয়টা সম্পর্কে আপনি পুরোপুরি ধারণা পেয়ে যাবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক আমাদের আজকের প্রতিবেদন।

আসলে মানুষ জন্মগত ভাবে কল্পনাপ্রবণ ও কৌতুহলী। মানুষের এই কল্পনাকে মাথায় রেখেই অনলাইন গেইম তৈরি কবার হয়। প্রথমেই আমরা অনলাইন গেইম খেলার সুবিধা গুলো সম্পর্কে আলোচান করবো।

daily news paper গুলোকে নিয়মিতই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন পত্রিকা ও অনলাইন নিবন্ধন এর মত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

 

১. সাধারণ জ্ঞান বাড়ে

অনলাইন ক্লাস ও অনলাইন জন্ম নিবন্ধন করা এসব বিষয় পুরানো এখন। তবে অনেক অভিজ্ঞ ডাক্তার বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন বলে থাকেন। শিশুদের হার্ট এর জন্য অনেকেই বলে থাকেন গেইম খেলতে দেওয়ার জন্য।

আসলে আপনি যদি কিছু গেইম দেখে থাকেন তাহলে বুঝবেন বিষয়টা। যেমন, আমি অনলাইনের সাপের গেইম দেখেছি সেখানে একটা সাপ কতটা সহজে একটা গোল অতিক্রম করে থাকে।

আপনি নিজে খেললে বুঝবেন এখানে অনেক বেশি পরিমাণে টেকনিক অবলম্বন করতে হবে। উপস্থিত বুদ্ধি অনেকটাই ভালো হয় অনলাইনে গেইম খেলার মাধ্যমে। আর আমাদের জেনারেল নলেজ বাড়ানোর জন্য তো আমাদেরকে ছোট বইটা কিনে সেটা থেকে পড়তে হবে।

আসলে আমরা কোন কিছু না পারলে অনেক সময় অভিভাবক বা টিচারকে দোষ দিয়ে থাকি। আপাতত দৃষ্টিতে সঠিক মনে হলেও আমাদের উচিত প্রতিটি শিশুকে সুন্দর মত যুক্ত ও খোজ খবর নেওয়া।

গাড়ির গেইম গুলো এবং হান্টেড হাউজ এই টাইপের গেমগুলোতে আমরা যখন লক্ষ্য করবে দেখবো যে, এখানে অনেকটাই ‍বুদ্ধি খায়ে লিতে হয়।

২. যেকোনো বিষয়ে দক্ষতা বাড়ে

অনলাইনে কোনো খেলোয়াড় যখন গেইম খেলে তখন আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে তার অনেক ভালো ধারণা হয়। তার সাথে সাথে কখন কোন সময় সর্বউত্তম উপায় বের করতে হবে এবং তার সাতে এর ব্যবহার সম্পর্কেও দক্ষতা বাড়ে।

ভিডিও গেইম খেলার মাধ্যমে মানুষ সামাজিক হয়, দলীয় কাজ করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা যায়। যেই দক্ষতা আপনার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপকারে আসতে পারে।

কিছু গেইম আছে যেগুলো খেলার মাধ্যমে আমাদের ছোট বাচ্চারা অনেক বেশি দূরন্ত ও অনেক বেশি মেধাবী হয়ে থাকে আর এই ধরনের গেইমগুলো আসলেও আমাদের বাচ্চাদের জন্য অনেক ভালো। আসলে আমরা তো এমন্ একটু যুগে বসবাস করি যেখানে আপনি চাইলেই নিজের সুবিধাগুলো শেয়ার ও অসুবিধাগুলোও শেয়ার করতে পারেন।

২০১৮ সালের শেষের দিকে অনেকেই এক ধরনের চেজিং গেইম এর আবির্ভাব হয়েছিল যেখানে আপনি লক্ষ্য করে থাকবেন যে, সেখানে শেয়ার অনেক তথ্য ও উপাত্ত ছিল। আমরা আসলে কোন কিছু মর্যদা সেটা হাতছাড়া হলেই বুঝতে পারি।

কোন বিষয়ে যদি আমরা ভালো করতে চায় তাহলে সেই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে আমাদেরকে প্রথমে। আর আমরা যদি একে অন্যের সহযোগীতা করি তাহলেই কেবল দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব। কারণ একজন ব্যক্তি সব কাজ একা করতে পারে না।

 

৩. হার্ট রেট ভালো থাকে

আপনি যদি ভিডিও গেইম নিয়ে ব্যস্ত হন তাহলে আপনার মাথা ব্যাথা, মাসসিক শক্তি, শরীল ব্যাথা, হাতাশ ইত্যাদি বৃদ্ধি পেতে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যায়। কিন্তু অফলাইনে গেইমটি সম্পূর্ণ আলাদা।

আমেরিকার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং যুক্তরাজ্যের কেইল ইউনিভর্সিটিতে গবেষণায় দেখা গেছে যে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ভিডিও গেইম খেলে যারা তাদের হার্ট রেট ভালো থাকে।

কারণ হলো গেইম খেলার সময় প্রায় আপনি বিভিন্ন গেইমের মধ্যে বিভিন্ন উত্তেজনাকর মুহূত্যের সম্মুখিন হন। যেগুলো আপনাকে সবসময় হার্ট রেট বাড়াতে সাহায্য করে।

গেম খেলার সময় আসলে আমাদের একটা ভারচুয়্যাল লাইফ নামে একটা অপশান থাকে। আর এই অপশানের কারণে আমাদেরকে অবশ্যই অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয় গেম খেলার সময়। আর আমাদের রক্তের গতিও অনেক ভঅলো থাকে তখন। আর এই কারণেই বলা হয়েছে হার্ট ভালো থাকে গেইম খেলার মাধ্যমে।

 

৪. দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা যায়

আসলে একটা কথা স্পষ্ট যে, মানুষ কোনো কাজের মধ্যে থাকলে দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে পারে। তার কারণ হলো আমরা যখন কাজ করি তখন আমাদের মনটা সেই কাজের মধ্যেই থাকে। ফলে কোনো ধরনের চিন্তা ভাবনা মাথায় থাকে না।

আপনি যখন অনলাইনে ভিডিও গেইমের মধ্যে থাকেন তখন আপনার মন সেই গেইমের মধ্যেই থাকে। যে কারণে আপনি বাড়তি কোনো চিন্তা পাথায় নিতে পাবেন না। উদাহরণ হিসেবে আপনি নিজেই এটি পরিক্ষা করে দেখতে পারেন।

এছাড়াও যদি আপনি ঘুমের মধ্যে থাকেন তাহলেও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে পারবেন। তাই যদি আপনি দুশ্চিন্তায় থাকেন তাহলে ভিডিও গেইম খেলতে পারেন। দেখবেন আপনার আজেবাজে চিন্তা মাথা থেকে চলে যাবে।

অনেক সময় আমরা যখন বসে থাকি বা কোন কাজ করি না তখন আমাদের মাঝে দুশ্চিন্তা চলে আসে। আর আমরা যখন কোন কাজে ব্যস্ত থাকি তখন এই ধরনের সমস্যাগুলো আসে না। আসলে আমরা গেম খেলার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখতে পারি।

আর আমরা অনেকেই আছি যারা গেম খেলার মাধ্যমে নিজেদের সময়গুলোকে ব্যস্ত রাখে। অনলাইনে কিছু কিছু গেইম আছে যেগুলো আসলে অনেকটাই জ্ঞান নির্ভর মানে অনেকটাই নিজেকে বুদ্ধি খাটিয়ে লিখতে হয়। আর এই ধরনের গেইমগুলো আমরা খেললে বাড়তি কোন টেনশান থাকলে সেগুলো দূর হয়ে যায়।

অনেক গবেষক মনে করেন যে, মানুষ নিজেকে যদি কোন কাজে ব্যস্ত রাখে তাহলে সে অনেকটাই ফ্রি ও চিন্তামুক্ত ভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। আর আমাদের মাঝে যারা আছে যে অনেক হাসিখুশি তারা এই পদ্ধতিটাই অবলম্বন করে থাকেন।

২০২১ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে একটা পত্রিকার প্রতিবেদনের বলা হয়েছিল যে, আমরা গেইম খেলার মাধ্যমে মুস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অনেকাংশ বাড়াতে পারি। আসলে সেখানে কিছু কারণ ও পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা ছিল।

৫. একাকিত্ত দূর করে

আপনার একা একা থাকতে একদম ভালো লাগেনা। তখন আপনি কি করবেন? তখন আপনার একটাই উপায় আছে সেটি হলো আপনি গেইমস খেলুন। অনলাইন হোক কিংবা অফলাইন হোক। তবে অফলাইনে গেইম খলতে হলে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়।

কিন্তু অনলাইনে গেইম খেলার জন্য আপনার তেমন কিছু প্রয়োজন হবে না। শুধু একটি মোবাইল ফোই যথেষ্ট। মোবাইল ফোন ছাড়াও আপনি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপে দিয়ে ভিডিও গেইম খেলতে পারবেন।

আর ভিডিও গেইম খেলার মাধ্যমে একাকিত্ত দূর করতে পারবেন। আপনার মনেই হবে না যে আপনি একা রয়েছেন। এছাড়াও আপনার সময় পার হয়ে যাবে অনেক দ্রত। কথাটি যদি আপনার বিশ্বস না হয় তাহলে একবার অনলাইনে ভিডিও গেইম খেলে দেখতে পারেন।

মানুষ সামজিক জীব হলেও বর্তমানে মানুষ আর আগের মত এক বাসা থেকে অন্য বাসাতে গিয়ে কথা বলে না। তারা নিজেরা বর্তমানে ডিভাইসের মাধ্যমেই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণ করে থাকে। আসলে আমরা নিজেরা্ও অনেক সময় এই কাজটা করে থাকি।

গেমের মাধ্যমে আমরা অনেকটা সময় ব্যয় করে থাকি। বআর বর্তমানে অনেক অনলািইন গেইম আছে যেগুলোতে কথা বলার সাথে সাথে খেলা যায়। এগুলো আসলে আমাদের জন্য অনেকটাই সুবিধা বলবো।

 

৬. চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে

আপনি হয়তো এই বিষয়টি শুনে অনেক অবাক হয়েছেন। কারণ আপনার এতোদিন শুনে এসেছেন যে মোবাইল, টিভি, কম্পিউটার ইত্যদির সামনে একটানা বসে থাকলে আমাদের চোখের অনেক ক্ষতি হয়। কিন্তু কিভাবে ভিডিও গেইমস খেলার মাধ্যমে আমাদের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে? কথাটা আসলেই ভাবার বিষয়।

আমরা যখন কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইসের সামনে একটানা তাকিয়ে থাকি তখন আমাদের চোখের মধ্যে আলোক রশ্মি আমাদের অনেক ক্ষতি করে। তবে ভিডিও গেইমস খেলার সময় আমরা দূর থেকে কন্ট্রোলারের মাধ্যমে ছেলে থাকে যে কারণে আমাদের চোখ এক এক সময় এক এক দিকে ফোকাস করে। আর সেটা দূর থেকে খেলার জন্য আমাদের দৃষ্টি শিক্তি বৃদ্ধি পায়।

এছাড়াও এই বিষয়টি বিজ্ঞানিরা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করে দিয়েছেন। মেলবোনের ডেকিল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণাটি করা হয়। সেখানে এটি স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ হয়ে যায় যে অনলাইনে ভিডিও গেইম খেরার মাধ্যমে আমাদের দৃষ্টি শক্তি বাড়ে।

 

৭. স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে

বর্তমানে এমন অনেক গেইম রয়েছে যা আমাদের পাঠ্য বইয়ের সাথে কিছুটা মিল থাকে। এর মধ্যে রয়েছে গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞান, বাংলা ইত্যাদির বিষয়ের সমাধান এবং পাজেল গেইম , এমন অনেক গেইম রয়েছে যেগুলো খেলার মাধ্যমে আমাদের স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

সাধারণত স্মৃতি শক্তি বাড়ানোর জন্য আমাদের কোনো বিষয়ে চর্চা করা প্রয়োজন। ক্নিন্তু অনলাইনে ভিডিও গেইমের মধ্যেই এখন চর্চা করা যায়। কারণ গেইমস খেলতে হলে অনেক কিছু জানতে হয়। একটি উদাহরণ দেওয়া যাক।

মনে করুন আপনি ফ্রি ফাইয়ার গেইমটি খেলতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে ফ্রি ফায়ার গেইম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। শুরুর দিকে আপনি এটি কখনোই জানতে পারবেন না। কিছুদিন খেলার পর আপনি নিজেই লক্ষ করে দেখবেন যে আপনি এই গেইম সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছেন। আর এবাবেই আপনার মেধ্যে স্মৃতিশক্তি বেড়ে গেছে।

তাহলে এখন বুজতেই পারছেন কিভাবে অনলাইনে ভিডিও গেইমস এর মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। আসলে আমাদের কোনো কিছু মুখস্ত করতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু কোনো জিনিস দেখে সেই বিষয়ে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খুব একটা সময় লাগে না। আশা করি সকলেই এই বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

 

৮. কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায্য করে

অনেক গবেষকরা মনে করেন। আমাদের কর্মদক্ষতাটা আসলে আমাদের কাজের উপর নির্ভর করে। আসলে আমরা যখন কাজ করি তখন কাজের জন্য আমাদের কে অবশ্যই প্রচুর এনার্জি প্রয়োজন হবে। আর এই এনার্জি গুলো আমরা আমাদের খাবার বা অভ্যাস থেকেই পেয়ে থাকি।

অনলাইন
প্রযুক্তি এখন মানুষের জীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যেও বাড়ছে স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার। ডিভাইস–আসক্তি শিশু-কিশোরের বেড়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে উঠতে পারে। বর্তমান প্রজন্ম স্মার্টফোন আর অনলাইনভিত্তিক নানা গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনেক সময় অতিরিক্ত সময় ধরে খেলা অনলাইন গেম আসক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও অনলাইন গেম সম্পর্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় অভিভাবকেরাও সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারেন না।

অনলাইনে গেমই খেললে অনেক সময় আমাদের কর্মদক্ষতা বেড়ে যায় বলে লোক মুখে কথা প্রচলিত আছে। আসলে কিভাবে বাড়ে সেই বিষয়টা আমাদের জানা বা জেনে রাখা দরকার। যেমন আমি এখানে ছোট্ট করে একটা উদহারণ দেওয়ার চেষ্টা করবো যদিও প্রাকটিক্যাল জ্ঞান ছাড়া বোঝা অনেকটাই কঠিন।

নোকিয়া মোবাইল ফোনে এক ধরনের গেইম আছে যেটা আগের বাটন ফোনগুলোতে পাওয়া যেতো। সেটাকে সাপের গেইম বলা চলে। এখানে গেইমটা খেলার জন্য আপনাকে অনেক বেশি মনোযোগী এবং কৌশলি হতে হবে। এখানে স্টেপগুলো শেষ হওয়ার পর আপনি গেইমটা জিততে পারবেন।

আমরা আসলে প্রথম দিকে অনেক সময় বিষয়টা এতটা ভালো বুঝতে পারি না। আর যার কারণে অনেকেই এর প্রতি একটা আসক্তি তৈরি করে ফেলেন। অনেক সময় ফ্রি সময় পেলেই এই গেইমটা খেলার জন্য মনোনিবেশ করে ফেলেন।

এই গেইমের মাধ্যমে আমাদের হাতের গতির সাথে সাথে আমাদের কাজের প্রতি দক্ষতাও বেড়ে যায়। কারণ এখানে অনেক বেশি মনোযোগী খেলতে হয়। আসলে পরিমিত পরিমানে কোন কিছু ই খারাপ নয়। পরিমিত পরিমাণের বেশি যখন হয়ে যায় তখনই বিষয়টা খারাপ হয়ে যায়।

 

Most Important Gaming Tags: 

Mobile gaming keyboard price in Bangladesh.

Online video games to play with friends.

Mobile gaming keyboard.

Fortnite Battle Royale.

Online video games multiplayer.

Mobile game pad price in India.

How to online gaming in rural areas ?

Online video games for kids.

Video games free.

Online video games for couples.

Leave a Comment