Offline Game কাবাডি খেলার উপাকারিতাসমূহ

অফলাইন গেইম কাবাডি খেলার উপাকারিতাসমূহ

Offline Game বা অফলাইন গেইম সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। বিভিন্ গেইমের মধ্যে ইতিহাসের অন্যথম গেইমের নাম হলো কাবাডি। আজকের আর্টিকেলে কাবাডি খেলার কিছু উপাকারিতা বলার চেষ্টা করা হবে।

Offline Game
কাবাডি খেলার উপাকারিতাসমূহ

কাবাডি খেলা কি শহরে খেলা যায় ? 

শহরের পরিবেশ টা এমন যেখানেই এই গেইমটা খেলার জন্য যতটুকু জায়গার দরকার হয় ততটুকু জায়গা আসলে এখানে পাওয়াটা কঠিন। সেক্ষেত্রে এই খেলাটি গ্রামেই বেশি দেখা যায়।

আসলে এই গেইমটা বা এই খেলাটা খেলার জন্য আমাদেরকে অনেক সময় জায়গা নিয়ে বা কাদা মাটির মধ্যে জায়গা তৈরি করে নিতে হয়। সেক্ষেত্রে বলা যায় শহরে এমন পরিবেশ তৈরি করাটা কঠিন আর শহরের চাইতে গ্রামেই বেশি দেখা যায় ও উপযোগী এই খেলাটি।

আমি আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে কাবাডি খেলা উপকারিতা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো। কারণ অফলাইনে এই গেইমটি খেলাতে হলে অনেক জায়গার প্রয়োজন হয়। আর শহর অঞ্চলে এমন জায়গা পাওয়া দায়। এজন্য সহরের মানুষ এই খেলাকে ভুলেই গেছে। তাদের সকলকে মোনে করিয়ে দিতেই আমাদের আজকের প্রতিবেদন।

এজন্য আজকে গেইমটি খেলে কিভাবে সুবিধা পেতে পারেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। তহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বিষয়টি সম্পর্কে।

 

Offline Game কাবাডি খেলার উপাকারিতাসমূহ

১. সময় ক্ষেপন করা যায়

২. মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া যায়

৩. স্বাধারণ জ্ঞান বাড়ে

৪. শারীরিক ব্যায়মা হয়

উপরের এই উপকারীতা ছাড়াও আলো অনেক উপকারিতা পাওয়া যায় কাবাডি গেইম খেলার মাধ্যমে। নিচে এই কয়েকটি গেইম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

 

১. সময় ক্ষেপন করা যায়

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ সময় পার করার জন্য বিভিন্ন ধরনে খেলা খেলে থাকে। তারই মধ্যে একটি খেলা হলো কাবাডি। পৃখিবীতে যত গুলো খেলা রয়েছে তাদের মধ্যে উন্নতম খেলা হলো কাবাডি। এটি আন্তরর্জাতিক খেলা হিসেবে সিক্রিতি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই খেলাটিকে বিনোদন হিসেবে খেলে থাকে।

তবে এই গেইমের মাধ্যমে সময় ক্ষেপন করা যায়। আর এই সুবিধাটি আপনি অনলাইন গেইম গুলোর মধ্যে পাবেন না। বাংলাদেশের বেশির ভাগ গ্রামের মানুষ সময় পার করার জন্যে এই খেলাটি খেলে থাকে। বেশির ভাগ সময় যুবোকরা এই গেইম খেলে থাকে।

তাই আমি আপনাদের বলতে চায় যদি আপনি সময় পার কারা জন্যে যদি কোনো গেইম লেখতে চান তাহলে এই গেইমটি খেলতে পারেন।

 

২. মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া যায়

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ মনে ভালো রাখতে বা মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া জণ্য বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গেইম খেললে থাকে। আসলে আমি আজকে আপনাদে যেই বিষয়টি  বলতে চায় সেটি হলো অনলাইনে গেইম আপনাকে কখনোই শান্তি দিতে পারে না।

বরং আপনার জীবনের জন্য এটি অনেক ক্ষতিকারণ। তবে এর জন্য আপনি অফলাইনে কাবাডি গেইম খেলতে পারেন। এটি যেমন উত্তেজনা করা খেলা তেমনি মনকে মানসিক শান্তি দেওয়ারও খেলা। তবে শহরে ইটপথরের ভীরে এই গেইমের ঐতিহ্যকে খুজে পাওয়া দায়। তার পরে কিছু মানুষ আছে যারা মানসিক শান্তি খুজে পাওয়া জন্য এখনো এই গেইম খেলে থাকে।

খেলাধূলা তো এমনিতেই মানসিক শান্তির জন্য অনেক ভালো ভূমিকা রাখে। সকল খেলাই আমাদের শরীর ও মানের জন্য অনেক ভালো তবে কাবাডি খেলাটা আরও বেশি ভালো। এখানে শক্তির একটা পরীক্ষা হয়ে যায় আর এই খেলায় আমাদের মানসিকতার পাশাপাশি আমাদের ব্রেনের অনেক বেশি এনার্জি দরকার পড়ে।

এখানে দুই পক্ষের মধ্যে খেলা হয় আর সেখানে আমাদের অনেক বুদ্ধি ও টেকনিক খাটিয়ে কাজ করতে হয়। আসলে আমরা তো আমাদের শান্তির জন্য যে কোন ধরনের কাজ করে থাকি। আর খেলা ধূলা এমনই একটা কাজ যেটা আমাদের শরীর ও মন ভালো রাখে।

ডাক্তারগণ তো বটেই আবার ধর্মীয় নেতারাও বলে থাকেন। শরীর ও মন ভালো রাখার জন্য খেলাধূলার কোন বিকল্প নেই। আসলে আমাদের দেশের বেশি ভাগ মানুষ মনে করেন একটা বয়স হয়ে গেলে খেলাধূলা করাটা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়।

আমরা আমাদের নিয়মানুসারে চলবো এবং আমাদের শারীরিক সমস্যাগুলো নিজেরাই শারীরিক বিভিন্ন প্রকার ব্যায়ামের মাধ্যমে ঠিক করে নেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি খেলাধূলা বিশেষ করে বিলুপ্ত প্রায় খেলাটি আবারও সচল হবে।

আন্তরজার্তিকভাবে এই খেলাটি এখনও প্রচলিত আছে তবে আমাদের দেশে এখন আর দেখা যায় না। অনেক আগে মানুষ গ্রামে এই খেলাটি খেলতো। বর্তমানে আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন খেলাধূলার মানসিকতা থাকলেও আসলে পরিবেশটা সেরকম নেই।

৩. স্বাধারণ জ্ঞান বাড়ে

আমরা সকলেই জানি যে জ্ঞান অর্জন করা উন্নতম মাধ্যম হলো খেলাধুলা করা। খেলাধুলাকে শিক্ষার একটি অংশ বলা হয়। এজন্যই দেখবেন যে প্রতিটি ইস্কুলে বছর শুরুর দিকে বিভিন্ন ক্রিয়া প্রতিযোগীতা করানো হয়। আসলে এর মূল করাণ হলো শীতে ছাত্রদের মন এবং তারা যেন ঠিক মতো লেখাপড়া করতে পারে এজন্যই এটি করানো হয়।

এখন আপনার বলতে পারেন যে জ্ঞান অর্জনের সাথে কাবাডি খেলার সম্পর্ক কোথায়। আসলে যে কোনো গেইম খেলতে হলে বুদ্ধির প্রয়োজন হয়। আপনি যতই শক্তিশালী হন না কেন যদি আপনার উপস্থিত বুদ্ধি না থাকে তাহলে যে কোনো খেলায় আপনি জয়লাভ করিতে পারবেন না।

আর কাবাডি হলো বিশ্ব মানের খেলা এই খেলার মাধ্যমে আপনি আপনার বুদ্ধি যাচায় করতে পারবেন। আর এই উপকারটাই আপনি কাবাডি গেইম এর মাধ্যমে পেতে পারেন। আশা করি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন।

খেলাধূলার করার সময় উপস্থিত বুদ্ধি বেড়ে যায় আর কাবাডির মত খেলাগুলোতে তো এই ধরনের বুদ্ধি অনেক বেশি জরুরী হয়ে পড়ে। কারণ এই ধরনের গেমের ক্ষেত্রে আপনি যদি তাৎক্ষনিক বুদ্ধি করতে না পারেন তাহলে অনেক পিছিয়ে পড়বেন।

 

৪. শারীরিক ব্যায়াম হয়

আসলে এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি সে সুস্থ থাকতে চায়। কারণ সুস্থ থাকতে হলে ব্যায়াম করা বা শরীরকে নিজের নিয়ন্ত্র রাখার কোনো বিকল্প নেই। আর আমরা সকলেই জানি যে খেলা ধুলার মাধ্যমে শারীরিক ব্যায়াম করা যায়।

আর খেলা ধুলার কথা মনে হলেই সবার আগে কাবাডি কিংবা হাডুডু খেলার কথা মনে আসে। এই খেলা গুলো যেমন উত্তেজনা তেমনই শারীরিক ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত খেলা। কাবাডি মূলত কম জায়গার মধ্যেই অনকে মানুষ মিলে খেলা যায়। এই খেলার মাধ্যমে শক্তি যাচায় করা যায়। এই খেলায় যার শক্তি যত বেশি থাকবে সেই জয়লাভ করতে পারবে।

 

আমাদের শেষ কথা

বর্তামনে আমাদের দেশের মানুষ এই ধরনে কাবাডি খেলাধুলাকে বাদ দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গেইম খেলে থাকে। এই লেখা গুলো যেমন আগেও ছিলো তেমনই এখন আমাদের টিকিয়ে রাখতে হবে।

খেলাধুলা জীবনকে উপভোগ করা একটি অংশ বলা হয়। তাই খেলাধুলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আশা করি সকলেই এই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment