মোবাইল গেইমিং আসক্তি দূর করার উপায়সমূহ

মোবাইল গেইমিং আসক্তি দূর করার উপায়সমূহ

মোবাইল গেইমিং আসক্তি থেকে আমাদের সন্তানদেরকে দূরে রাখার জন্য অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে। তাদের মানসিক, শারিরীক ও ক্যারিয়্যারের ক্ষতির কারণ হলো এইটা। এ থেকে অবশ্যই দ্রুতই আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।

২০২১ সালে এসে মোবাইল ফোনের সবচেয়ে বড় অসুবিধার মধ্যে অন্যতম অসুবিধা পাওয়া গেছে গেমের প্রতি নেশা বাচ্চাদের। অনেক সময় বাচ্চাদেরকে খেলতে না দিলে তারা কোন কাজই করতে চায় না। পড়াশোনা বা খাওয়া থেকে শুরু করে সব ধরনের কাজেই তাদেরকে অযুহাত হিসেবে মোবাইলে গেম খেলতে দিতে হবে।

আমাদের দেশের গবেষক রা চিন্তা করছেন যে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো পৃথিবীর গেইমগুলোর প্রায় ৫০% দখল করে নিবে এই ভারচুয়্যাল গেইমিং সাইটগুলো। যদিও এখনও অনেকেই আছে দামি ফোন কিনতে পারে না বিধায়। বড় বড় ও দামি ও ভারি ভারি গেইম গুলো খেলতে পারে না।

তবে গেইমিং কম্পানিগুলো এ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে গ্রাফিক্স এর একটা সাইট দেখছিলাম যেখানে আপনি আমার মনের মত ডিজাইন করে সেখানে যে কোন ফরমেটে সেভ করতে পারবেন ফাইলটা।

আপনাকে একজন মাসিক ভিত্তিতে একটা চুক্তি বা পেমেন্ট করতে হবে। তেমনি মোবাইলের বা পিসির গেইমগুলোও একটা সময় এমন হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আজকের আর্টিকেলে এই ক্ষতির হাত থেকে বা নেশা থেকে কিভাবে আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দূরে রাখতে পারবো সেটা নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। আশা করি আর্টিকেল শেষে কিছু ধারণা পেয়ে যাবেন এটা নিয়ে।

১. একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নেওয়া

মোবাইল ব্যবহার করার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় যদি ঠিক করে নেওয়া হয় তাহলে অনেক সময় দেখা যাবে যে, সেই সময় আসতে আসতে আপনি অন্য কোন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এটাকে ৫ মিনিটের থিউরিও বলা যেতে পারে।

অর্থ্যৎ কোন কাজকে আপনি ৫মিনিট পিছিয়ে দিন। যেমন আপনার এখন আইসক্রিম খাওয়া দরকার আপনি নিজে নিজে ভাবলেন ৫ মিনিট পর খাবো। তারপর আবার ৫ মিনিট পর ভাবলেন আরও ৫ মিনিট পর খাবো। এখানে একটা সময় দেখা যাবে আপনার আইসক্রিমের কথা মনেই নেই।

এটাকেই বলা হয় নির্দিষ্ট সময় বেধে দেওয়া। আপনি এই ভাবেই এটা করতে পারেন যে, আপনি প্রতিদিন ১ ঘন্টা মোবাইল চালাবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রতিদিন এই এক ঘন্টাকে মেনে চলতে হবে। আর আপনি ঘড়ির কাটা ধরে ধরে এই এক ঘন্টাকে পরিমাপ করে নিবেন।

২. কাজের সময় মোবাইলকে দূরে রাখা

৩. নোটিফিকেশান বন্ধ করে রাখা

৪. অপ্রয়োজনী নাম্বার ও অ্যাপস ডিলিট করে রাখুন

আরো পড়ুন >> অনলাইন এ মোবাইল গেইম এর ক্ষতিকর দিকসমূহ

 

৫. বড় পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখুন

৬. অ্যালার্ম ঘড়ি হিসেবে মোবাইলকে ব্যবহার করবেন না

৭. সময় দেখার জন্য আলাদা ঘড়ি রাখুন

৮. প্রয়োজন শেষে অ্যাপস ডিলিট করে রাখুন

৯. মোবাইলের কাজ শেষ হলে ১০ফিট দূরে রাখুন

১০. বিছানায় যাওয়ার আগে বন্ধ রাখুন

১১. ম্যাসেজের উত্তর একটা নির্দিষ্ট সময়ে দিন

>> মোবাইল গেইমিং আসক্তি দূর করার উপায়সমূহ

১২. অপ্রয়োজনী সবকিছুই ডিলিট করে দিন

১৩. গ্রুপ চ্যাট থাকলে সেটা মিউট করে রাখুন

১৪. দীর্ঘশ্বাস নিন মাঝে মাঝে

১৫. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপসগুলো বন্ধ রাখুন

 

নোটিফিকেশান দেখলেই কি আপনার ফোন ধরতে ইচ্ছা করে ? 

আসলে এই বিষয়টা অনেক বাস্তব সম্মত। আপনি একটু পর পর শুধু মোবাইল চেক করে থাকবেন। কেউ নক করলো কিনা। কেউ আপনাকে কোন ম্যাসেজ করলো কিনা। এসব দেখতে থাকবেন। এটাও এক প্রকার আশক্তির মতই কাজ করে।

 

1 thought on “মোবাইল গেইমিং আসক্তি দূর করার উপায়সমূহ”

Leave a Comment