গেমিং মোবাইল ফোন এর ফিচারগুলো জেনে নিন

গেমিং মোবাইল ফোন এর ফিচারগুলো জেনে নিন 

বর্তমান গেইম খেলার জন্য আলাদা করে কিছু গেমিং মোবাইল ফোন তৈরি করছে কম্পানিগুলো। যেগুলোতে আলদাা কিছু ফিচার থাকবে। আর সেগুলো জেনেই আমাদেরকে কাজ করতে হবে।

গেমিং ফোনগুলোর র‌্যাম, রম, প্রসেসর ও ডিসপ্লে কেমন হবে আর কোন ধরনের ফিচারগুলো থাকল গেইম খেলার জন্য অনুকূল হবে সেই বিষয়গুলোই মূলত আজকের আর্টিকেলে থাকবে।

আসলে বর্তমানে অনেকেই জানতে চায় যে গেমিং মোবাইল ফোন এর ফিচার গুলো আসলে কেমন হয়। যারা ভারী গেইম গুলো অথবা ভিডিও গেইম খেলে থাকে তারা এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে জানে। কিন্তু অনেকেই আছে যারা এতো কিছু বুঝে না। মূলত এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যই। এই ছোট খাটো বিষয় গুলো জানতে হলেিএই প্রতিবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আশা করি আপনি প্রতিবেদন শেষে অনেক গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।

 

প্রথমেই আপনাদের যেই বিষয়টি জানতে সেগুলো হলো-

 

১. ফোনের র‌্যাম 

২. ভালো প্রসেসর 

৩. উন্নত ডিসপ্লে

৪. ভালো ব্যাটারি

 

উপরের এই চারটি বিষয় ছাড়াও আরো অনেক বিষয় রয়েছে গেইমিং মোবাইল ফোনের ফিচার রয়েছে। নিচে সেই সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আশা করি গেমিং ফোনের ফেচার গুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবেন।

১. ফোনের র‌্যাম

 

গেইমিং ফোনের আমাদের প্রথমেই যেই বিষয়টি থাকে বা প্রয়োজন হয় সেটি হলো ফোনের র‌্যাম। সাধারণত ভারী গেইম গুলো খেলতে হলে ফোনের র‌্যাম হতে হয় ৩ জিবি বা এর বেশি। তবে কিছু কিছু ফোনে ২ জিবি দিয়েও খেলা যায়।

এর জন্য আপনাকে ফোনটির গেমিং প্রসেসর ভালো হতে হবে।  অনেক সময় দেখা যায় গেমিং মোবাইলের র‌্যাম ভালো না থাকার কারণে গেইমের মধ্যে ল্যাক করে। এই বিষয় যারা গেইম খেলে তাদের কাছে অনেক বিরক্তের মনে হয়।

তাই আপনি যদি কোনো গেমিং ফোন কিনতে চান তাহলে অবশ্যই ৫ জিবি এর মতো র‌্যাম ফোন কিনবেন। যদিও টাকা কিছু বেশি লাগতে পারে।

একটা মোবাইল ফোনের র‌্যাম যত বেশি থাকবে স্পিড তত বেশি পাবে। আসলেে এটি মূলত মোবাইল ফোনকে দ্রুত রান করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমরা তো দামী মেবাইল কেনার সময় মূলত এই বিষয়টাই লক্ষ্য করে থাকি। অনেক সময় র‌্যাম কম থাকার কারণে মোবাইল ফোন চেজ্ঞ বা পরিবর্তন করতে হয়।

কিছু গেইম আছে যেগুলো রান করার জন্য অনেক বেশি পাওয়ার আর স্পিড লাগে। সেক্ষেত্রে র‌্যাম বেশি থাকাটা অনেক বেশি জরুরী একটি বিষয়।

 

২. ভালো প্রসেসর

 

গেমিং ফোনের ফিচারের মধ্যে আরো একটি বিষয় হলো ভালো প্রসেসর। একটি ফোনের ভালো প্রসেসর হলেই সে গেইম খেলতে পারবে। ফোনটির র‌্যাম যদি বেশিও হয় আর যদি প্রসেসর কম হয় তাহলে গেইম খেলতে পারবেন না ঠিক মতো।

একেবারেই যে গেইম খেলা যাবে না তেমনটা নয়। গেইম খেলতে পারবেন তবে ফোনটি ল্যাক করবে। তাই গেইম খেলতে হলে ভালো প্রসেসরের ফোন কিনা উচিত।

প্রসেসর সাধারণত আপনার গেইমকেই ভালো সাপর্ট করে থাকে। তবে অন্যান্ন ক্ষেত্রেও প্রসেসর অনেক বড় ভূমিকা রাখে। যেমন ভারী ব্রাইজার ব্যবহারের জন্য ভালো প্রসেসর প্রয়োজন হয়। এছাড়াও অনেক গুলো সফটওয়ার একসাথে ব্যবহার করার জন্যও ভালো প্রসেসর প্রয়োজন হয়। অনলাইনে কাজ করতে হলেও ভালো প্রসেসর লাগে।

 

>> গেমিং মোবাইল ফোন এর ফিচারগুলো জেনে নিন

 

৩. উন্নত ডিসপ্লে

 

গেইমিং ফোনের ভালো বা বড় ডিসপ্লে অনেক বড় একটি ফিচার। গেইম খেলতে হলে ডিসপ্লে অনেক বড় একটি ভূমিকা রাখে। অনেক সময় ছোট ডিসপ্লে থাকে যেই সমস্যাটি হয় সেটি হলো ঠেকমতো গেইমের ভেতরের সামনের গ্রাফিক্স দেখা যায় না।

এই জন্যই মূলত ভিডিও গেইম খেলতে হলে বড় ডিসপ্লে প্রয়োজন হয়। তাই যদি আপনি গেইম খেলতে চান তাহলে বড় ডিসপ্লের ফিচার জাতীয় মোবাইল নির্বাচন করতে হবে।

তবে আইফোনের ডেসপ্লে বিষয়টি অন্য রকম। এই ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসটি ডিসপ্লে ছোট হলেও কাজ করে অনেক ভালো। এবং এর চর্জ থাকে অনেক সময় ধরে। তাহলে সেব ফোনের ডিসপ্লে যাচায় না করলেও হবে।

কিছু ডিসপ্লে আছে যেগুলো আসলে চার্জকম কাটে এবং অনেক বেশিসময় ধরে সার্ভিস দিতে থাকে। আর অনেকেই বড় ডিসপ্লেতে গেইম খেলতে বেশি পছন্দ করে থাকে। অনেক গেইম আছে ছোট ডিসপ্লেতে ভালো দেখায় না।

আসলে এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, আমরা অনেকেই আছি মোবাইলের ডিসপ্লেতে গেইম খেলতে পছন্দ করে থাকি। তার অন্যতম কারণ হলো এটি মুভ করা যায় যা অন্য কোন ডিভাইস হলে করা যায় না। মোবাইল ফোনের অনেক বড় সুবিধার মধ্যে একটি অন্যতম সুবিধা বলা চলে।

 

৪. ভালো ব্যাটারি

 

গেমিং ফোনের ফিচারের মধ্যে আরেকটি উপদান হলো ভালো ব্যাটারি। গেইম খেলতে হলে ভালো ব্যাটারি ছাড়া কখেই গেইম খেলতে পারবেন না। কারণ আপনি যদি কম এমএইচ এর ব্যাটারি দিয়ে গেইম খেলতে চান তাহলে দেখবে দুই থেকে সাটি ম্যাচ খেলার পরে চার্জ শেষ বা কমে যায়।

গেইমিং ফোনের ব্যাটারি ভালো হওয়া আর সেই অনুযায়ী চার্জ বেশি সময় থাকলেই আপনি ঠিক মতো গেইম খেলতে পারবেন। আপনি যদি ভালো ব্যাটরি জাতীয় ফোন কিনেন তাহলেই ঠিকমতো গেইম খেলতে পারবেন। অন্যথাই ভারী গেইম গুলো খেলতে আপনার অসুবিধা হবে।

আমি গতমাসের দিকে একজনকে ফোন কিনতে দেখলাম সেটাতে দেখলাম ৫ হাজার মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারী। সেদিন মনে হয় অনলাইনে কোন একটা ওয়েবসাইটে দেখলাম ৬ হাজার মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি।

গতমাসের পরে এই মাসে আমি দেখলাম একজন খুজতেছে ১০ হাজার মিলি এম্পিয়ার ব্যাটারি। আসলে দিনদিন মানুষের চাহিদা বেড়েই চলেছে। আর এই বাড়তি চাহিদার জন্য অনেকেই অনেক বেশি পরিশ্রম করছে এবং অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছে এক দল।

এদের মধ্যে মোবাইল ফোন কম্পানিগুলো নিয়মিতই তারা আপডেট রাখার চেষ্টা করতেছে। কারণ মানুষ আপডেট জিনিসগুলোকেই বেশি মূল্যায়ন করে থাকে। আর যাদের টাকা নেই তারা তো ফোনই কেনে না। আমি অনলাইনে নয় অফলাইনেই দেখেছি নিয়মিত মোবাইল ফোন পরিবর্তন করতে।

তার জানা মতে কোন ফোন আপডেট আসলেই সে আগের ফোনটা চেজ্ঞ করার চেষ্টা করে নেয়। এটা আসলে একটা অভ্যাস বা একটা ভালো দিক এবং আপডেট জিনিস পছন্দ করার একটা নমুনার মত বলা চলে।

গেমিং মোবাইল ফোন
গেমিং মোবাইল ফোন এর ফিচারগুলো জেনে নিন

আমাদের শেষ কথা

 

আপনি যদি কোনো গেমিং ফোন কেনার চিন্তা করে থাকে তহলে অবশ্যই উপরের এমন ফিচার জাতীয় ফোন কিনবেন। এছাড়াও আপনি কোনো ভালো ইঞ্জিনিয়ারে সাথে কথাও বলতে পারেন। অথবা মোবাইল বিষয়য়ে যে ভালো জানে তাকে নিয়ে গিয়ে আপনার গেমিং ফোন কিনতে পারেন।

আশা করি প্রতিবেদন থেকে আপনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছেন। এই সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য আপনাকে অসখ্য ধন্যবাদ। এমন ছোট ফোট মূল্যবান প্রতিবেদন পেতে আমাদের ওয়েব সাইটের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ

Leave a Comment